Ecommerce/blog/news portal

কাম সারছে!

কিছুক্ষণ আগে রাজধানীতে এক শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে মারা গেছেন বলে জানা গেছে।ঘটনাটি ঘটেছে মহান জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে। জানা গেছে, ওই শিক্ষিকা রিকশায় করে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে থাকা এক ছিনতাইকারী তার ব্যাগ ধরে টান দেয়। এতে তিনি রিকশা থেকে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হয়ে মারা যান বলে জানা গেছে।এর আগের রাতেও ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।একটার পর একটা এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। দিনের ব্যস্ত সময় হোক কিংবা রাত, রাস্তায় বের হলে মানুষ নিজের জীবন ও সম্পদ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে।প্রশ্ন হচ্ছে, মানুষ নিরাপদ থাকবে কীভাবে?আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেও যদি তারা বারবার জামিনে বের হয়ে আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে এই চক্র বন্ধ হবে কীভাবে?অভিযোগ রয়েছে, কিছু অপরাধী বারবার গ্রেপ্তার হওয়ার পরও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত জামিনে বের হয়ে আসে। কেউ কেউ আবার বাইরে এসে অভিযোগকারী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর সাহসও পায় বলে অভিযোগ রয়েছে।তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়, এই অপরাধীদের পেছনে কারা আছে?কারা তাদের আশ্রয় দেয়?কারা তাদের ব্যবহার করে?কোন প্রভাব বা সুপারিশের কারণে তারা বারবার আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে আসে?এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।কারণ একজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করাই শেষ কথা নয়। অপরাধের সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।একটি রাষ্ট্রে সাধারণ মানুষ যদি রাস্তায় বের হয়ে নিজের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে থাকে, তাহলে সেই রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।মানুষ কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ চায় না। মানুষ বিচার চায়।মানুষ বড় কোনো প্রতিশ্রুতিও চায় না। মানুষ চায় নিরাপদে রাস্তায় হাঁটতে, নিরাপদে রিকশায় যেতে, নিরাপদে ঘরে ফিরতে।মানুষ দুই মুঠো খেয়ে শান্তিতে বেঁচে থাকতে চায়।মানুষ তার জানমালের নিরাপত্তা চায়।মিথ্যা গল্প নয়, মিথ্যা প্রতিশ্রুতিও নয়। মানুষ এখন বাস্তব নিরাপত্তা চায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shopping Cart