
মৃণাল কান্তি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন বক্তব্য দিয়েছিল একটি ছেলে , তা ইতোমধ্যে মানুষের সামনে এসেছে। প্রশ্ন হলো—সে কি এখনও সেই দলের সঙ্গে যুক্ত?রাজনীতিতে মতের পার্থক্য থাকবে, সমালোচনা থাকবে, তীব্র বিরোধিতাও থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে কাউকে নিয়ে নোংরা, অশ্রাব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করার অধিকার কেউ পেতে পারে না।একজন রাজনৈতিক কর্মী যখন প্রকাশ্যে এমন ভাষা ব্যবহার করেন, তখন বিষয়টি শুধু তার ব্যক্তিগত চরিত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তিনি যদি কোনো দলের পরিচয়ে রাজনীতি করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে সেই দল কি তার বক্তব্য ও আচরণের দায় এড়িয়ে যেতে পারে?দলের নীতি-নৈতিকতা যদি সত্যিই থাকে, তাহলে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ মানুষের সম্মান নষ্ট করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কারণ রাজনীতি শুধু ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতা নয়; রাজনীতি মানুষের প্রতি সম্মান, সহনশীলতা, শালীনতা ও দায়িত্ববোধেরও নাম।আমরা রাজনৈতিক বিতর্ক চাই, যুক্তি চাই, কঠিন সমালোচনাও চাই। কিন্তু গালাগালি, কুরুচিপূর্ণ ভাষা, ব্যক্তিগত অপমান এবং রাজনৈতিক অসভ্যতাকে রাজনীতির স্বাভাবিক সংস্কৃতি হিসেবে দেখতে চাই না।কোনো দলের কর্মী যদি সীমা ছাড়িয়ে যায়, তাহলে সেই দলের নেতৃত্বেরও দায়িত্ব আছে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে মোকাবিলা করার।রাজনীতিতে মতের যুদ্ধ হোক—কিন্তু ভাষার নোংরামি নয়।